To Parambrata Chatterjee – post ‘Jiyo kaka’ celluloid experience

Image Courtesy: Google Images

Image Courtesy: Google Images

আচ্ছা, এরকমভাবে বাজে বাংলা সিনেমা বানানোর কী মানে হয়? কয়েকটা ক্লিশেড জিনিস ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই ফ্লেভারে দেখালেই দর্শক যদি তুষ্ট হয়, ক্লিশের একটা সো-কল্ড ফর্মুলায় যদি জিনিসটা চলে, তাহলে তো তোমরা এগোবে না। রথের চাকা এখনই গেঁথে গেছে, তুলতে গেলে অনেক ধাক্কা চাই। ততটা ধাক্কা যতক্ষণ না দিচ্ছ, লোকে মাল্টিপ্লেক্সে এসে একশো সত্তর টাকা দিয়ে সিনেমা কেন দেখবে? একটা নির্দিষ্ট শ্রেণীর দর্শককে টার্গেট করে সিনেমা বানানো নিশ্চয়ই ভাল আইডিয়া। মেদিনীপুর থেকে মালদা, দার্জিলিং থেকে দেগঙ্গা, সবরকম দর্শককে খাওয়ানোর জন্যে সিনেমা কি আজকাল আর হয়না?

আমি প্রবাসী। বাইরে বসে বাজে বকার অভ্যেসটা আমার অনেকদিন ধরেই হয়ে গেছে, তা প্রায় এগারো বছর। নিলে ভাল, না নিলে আরো ভাল। বাংলা সিনেমা চলুক কি না চলুক তাতে কী যায় আসে বলো তো তোমার-আমার? ওয়েবসাইটের ড্রপডাউনে বাংলা সিনেমার নাম দেখে, পাশের ট্যাবে রাজা সেনের একটা বিশ্রী রিভিউ দেখে, পরের পনেরো মিনিট এমনিই কেটে যায় নিজেকে আঁতেল বা নন-আঁতেল হিসেবে ট্যাগ করতে করতে। পেঁয়াজি আর আলুর চপের তফাত জানো? বিশাল কোনো কারিগরী নেই, কিন্তু চপের দোকানের লোকটাকে জিজ্ঞ্যেস করো, বলবে – দাদা, ভাজাটা হয় পেঁয়াজি বেশি আলু কম। রুদ্রনীলের একটা ক্লোজ-আপ শট নিলেই কি সিনেমা চলে? লম্বা চুল আর দাড়ি রাখলেই কি স্ট্রাগলার মনে হয়? ‘সকালে মর্নিং ওয়াক’ বললেই কি বাঙালিয়ানা বজায় থাকে? ভেবেছিলাম এই লেখাটা ইংরেজিতে লিখব, তাহলে হয়তো রাজা সেনও এটা পড়ত। বাংলায় যদি লিখি তাহলে অনেকগুলো হ্রস্ব-ই আর দীর্ঘ-ই লাগবে।
তুমি কি কখনো ভাবোনি যে অনেকদিনই ঝত্বিক ঘটক আর সত্যজিত রায়কে ছেড়ে আমরা একটু ওপরে উঠে গেছি, সিনেম্যাটিক লেভেলে নয় এন্টারটেনমেন্ট কোশেন্টে? দাঁড়াও, তুলনাটা গুগল করার আগে দুটো মিনিট শুনে নাও। যতখানি হাস্যরস একটা নির্দিষ্ট ডায়লগ থেকে আশা করা যায় চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ততখানি তাকে দিতে হবে। মানে ধরো পুরনো হিন্দি সিনেমার উদাহরণ ধরলে ভিলেন যদি হঠাৎ বলত প্রেমে পড়বে, তা তো আর হত না ভাই। কিন্তু আজকালকার সিনেমায় ভিলেনরাও প্রেমে পড়ে এবং পাবলিক সেটা খায়। কী আর করবে বলো, আজকাল সবাই যে গডফাদারকে নাতির সঙ্গে বাগানে খেলতে দেখে ফেলেছে ! তাই এখন ওই নায়কোচিত আর খলনায়কোচিত আদর্শের দ্বন্দ্বটা দর্শকও ধরতে পারে। খলনায়কের ঔদ্ধত্যের মধ্যে হঠাৎ যদি মানবিক সৌজন্য ধরা পড়ে, তাতে আজকাল জনতা ভাবে – এমনটাও সম্ভব। কিন্তু মানিকবাবুর সময়ে মগনলাল মেঘরাজ যদি মানবিক সত্ত্বা দেখাতে শুরু করত তাহলে কিন্তু ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’এর অসাধারণ ছুরিখেলা থেকে দর্শক বঞ্চিত হত। আরে যাই বলো, মীর তো আজকাল মাঝেমধ্যেই বলে, ‘আজীব চীজ হ্যায় ইয়ে মগরমচ্ছ…’। এই মগরমচ্ছের টেস্টটা যে পালটে গেছে সেটা তুমি-আমি দুজনেই বুঝি। বিশেষ করে তোমার-আমার দুজনের অবস্থিত ক্রমবর্ধমান দিল্লি বেলিকে অতিক্রম করতে হলে কলকাতা বেলিকে অনেক উঁচুতে উঠতে হবে। শেষ পর্যন্ত একশো সত্তর টাকাটা কোথায় কীভাবে খরচ হচ্ছে সেটাই জরুরি। বাজে কথা বললে তো হবে না, আমরাও ছবি দেখি।
My Rating: 2/5
Times of India Rating: 3.5/5
Language: Bangla
Genre: Comedy
Country: India
Release Date: 8th February, 2011
Director: Parambrata Chattopadhyay
Cast: Rituparna Sengupta, Rahul, Rudranil Ghosh, Saswata Chattopadhyay, Aviraj, Kanchan Mullick
Advertisements
Comments
  1. Arijit says:

    Jeeyo kaka……….110% agreed…..

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s